দক্ষ জনশক্তি বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা ও ভাষা দক্ষতা শেখানোর দাবি প্রবাসীদের

0

দক্ষজনশক্তি রপ্তানিতে কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি ভাষা শিক্ষার দাবী জানিয়েছেন প্রবাসী বাঙালিরা। প্রবাসীদের সংগঠন সেন্টার ফর এনআরবি আয়োজিত সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা।

২৮ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার সৌদিআরবে জেদ্দায় হোটেল হলিডে ইনে আয়োজিত ‘দক্ষ জনশক্তি প্রবাসীদের  দায়িত্বশীল বিনিয়োগে-সমৃদ্ধ দেশ : এনআরবি কনফারেন্স-২০১৯’  এ সময় প্রবাসীদের বিনিয়োগে সরকার সব ধরনের সহায়তা করবে বলে আশ্বাস দেন ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ ।

জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেল ফয়সাল আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সচিব মনোয়ার আহমেদ।  

রিয়াদ দূতাবাসের অর্থ সচিব ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান এর পরিকল্পনায় ও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরকারের উপস্থাপনায় কনফারেন্সে আরোও উপস্থিত ছিলেন, অর্থমন্ত্রনালয়ের F.D সচিব, আব্দুর রৌফ তালুকদার, পরিকল্পনা কমিশনের সচিব ও সদস্য শাহিন আহমেদ চৌধুরী, 

প্রবাসী এনআরবি পক্ষে থেকে বিষদ আলোচনা করেন ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন, আইটি বিশেষজ্ঞ রফিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোত করেন ওয়ালিউল্লাহ, সভাই জেদ্দাস্থ মুক্তিযোদ্ধা,  ইনভেস্টর, ব্যবসায়ী, প্রবাসী কমিউনিটির  নেতনেতৃবৃন্দ  সহ কনস্যুলেট কর্মকর্তা ও  প্রবাসী সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থ সচিব মনোয়ার আহমদ বলেন, প্রবাসীদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নত করতে হবে। আর এর জন্য প্রবাসীদের প্রশিক্ষণ ও যে দেশে যাবে সেই দেশের ভাষা দক্ষতা শেখানোসহ নানান রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি রফতানি করতে হবে । তাহলে দেশ উন্নত হবে দেশে উন্নত হলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে। সেই লক্ষ্য পূরণে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের এয়ারপোর্টে সমস্যা সমাধান করার লক্ষ্যে ইমিগ্রেশন থেকে পুলিশকে সরিয়ে নিয়ে নতুন আলাদা ইমিগ্রেশন অফিসার নিয়োগ দিচ্ছে বলে জানান তিনি। 

তিনি আরো বলেন,  প্রবাসীদের মুল সমস্যা নিয়ে কাজ করতে অভিজ্ঞ প্রবাসীদের কাজে লাগিয়ে দক্ষ শ্রমিক ও ভাষাগত প্রশিক্ষণের  সরকার পরিকল্পনা নিয়েছেন তাই প্রবাসী ব্যবসায়ীদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিনিয়োগ সহ বৈধ পথে রেমিটেনস পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি।

মাননীয় ই, আর, ডি সচিব তার বিস্তারিত বক্তব্যে এনআরবি  কিভাবে বাংলাদেশের অর্থনিতীতে আরো ভূমিকা রাখতে পারেন সে জন্য সরকারে P I E Program এর বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেন। সল্প বেতন ভোগী বাংলাদেশি শ্রমিকগণ যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কিভাবে আরো উন্নতি করতে পারেন তা তুলে ধরেন। 

পরে তিনি এন আর বি এর পক্ষ থেকে সুনিদির্ষ্ট প্রস্তাবনা লিখিত আকারে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।
সর্বশেষ জেদ্দা কনসুলেটের মানণীয় C.G জনাব ফয়সাল আহমেদের ধন্যবাদ বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here