সোমবার , জানুয়ারি ২০ ২০২০
Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / ২০২০ সালের হজ চুক্তি সম্পন্নঃ এবার হজ করবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন।

২০২০ সালের হজ চুক্তি সম্পন্নঃ এবার হজ করবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন।

সৌদি আরবের জেদ্দায় ২০২০ সালের বাংলাদেশ-সৌদি আরবের মধ্যে হজ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ২০২০ সালের হজ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও সৌদিআরব এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাত।

অন্যদিকে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাত-এর নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধি দলের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রনালয়ের সচিব ডক্টর হোসাইন বিন নাসের শরীফ, হজ অফিসের মহাপরিচালক হুসনী বিন আব্দুল্লাহ বুসতাজীসহ সৌদি আরবের ১০ জন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
সৌদিআরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মহ্সি, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব মো: আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব এবিএম আমিনুল্লাহ নূরী, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল ফয়সাল আহমেদ, হজ কাউন্সিলর মো: মাকসুদুর রহমানসহ উর্ধতন কর্মকর্তা ও হাব সভাপতি শাহাদত হোসেন তসলিম।

হজ যাত্রীর কোটা বাড়ানো, রুট টু মক্কা ইনিসিয়েটিভের আওতায় শত ভাগ হজ্ব যাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ্ব শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনায় হাজিগনের ইমিগ্রেশন সহজ করা, হাজিগন যাতে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফিরতে পারেন, ভিসা প্রসেসিং সহজ করা ও খাওয়া-থাকাসহ সৌদিআরবে বাংলাদেশী হাজিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোসহ অন্তত ১০ দফা প্রস্তাব হজ্ব চুক্তির সময় উপস্থাপন করা হয়েছে ।

হজ চুক্তির সময় বাংলাদেশ যেসব প্রস্তাব ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বৈঠকে উপস্থাপন করেন তা হলো-

১. হজ যাত্রীর কোটা বাড়ানো।
২. রুট টু মক্কা ইনিসিয়েটিভের আওতায় শতভাগ হজ যাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনা এয়ারপোর্টে হাজিগনের ইমিগ্রেশন সহজ করা।
৩. হাজিগণ যাতে ৪২ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফিরতে পারেন।
৪. ভিসা প্রসেসিং সহজ করা।
৫. খাওয়া-থাকাসহ সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো।
৬. কালো তালিকাভূক্ত বেসরকারি এজেন্সীর তালিকা দ্রুত প্রকাশ করা।
৭. হাজিগণের জন্য বাধ্যতামূলক খাবার সরবরাহের প্রথা বন্ধ করা এবং মিনায় উন্নতমানের বাংলাদেশি খাদ্য পরিবেশন ও উন্নতমানের আবাসনের ব্যবস্থা করা।
৮. হজের সময় বাংলাদেশে আইন লঙ্ঘন করে সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকেট বিক্রির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।
৯. হাজি পরিবহনে বাস সার্ভিস উন্নত করা।
বাংলাদেশী হাজিদের জন্য ট্রেন পরিবহন সার্ভিস বাড়ানোর জন্য ২০২০ সালের হজ চুক্তির বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

এর আগে মক্কার আজিজিয়া ও হাইলনাসিম এলাকায় হাজিগনের সম্ভাব্য নতুন আবাস্থল পরিদর্শন করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী|

About Mohammad Firoz

Check Also

মিয়ানমারের গণহত্যা মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলায় ২৩ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন রায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ব্রেকিং নিউজ