কোস্ট গার্ড আম্পান মোকাবেলায় উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আগেই নিরাপদ সরিয়ে নেয়

8

ঢাকা: বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঘূর্ণিঝড় আম্পান এর কারণে উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহ থেকে লোকজনকে বিভিন্ন সাইক্লোন সেন্টার ও কোস্টগার্ড স্টেশনে গত দুইদিন যাবত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছিল।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর মিডিয়া উইং রাহি মানুম ও মিডিয়া অফিসার (ঢাকা) হায়াত ইবনে সিদ্দিক এসব তথ্য নিচ্মিত করেছেন।

জানাগেছে. কোস্ট গার্ড সদস্যরা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ভোলা, এবং চট্টগ্রাম, এলাকার অধীনস্থ দ্বীপসমূহ এবং সুন্দরবন তত্সংলগ্ন এলাকায় যেমন গাবুরা, দুবলার চর, ঢালচর, হাতিয়া,উড়িরচর,সারকাইত,সাংগু এলাকার মোট ২২০৫ জনকে স্টেশনে আশ্রয় প্রদান করে তাদের ইফতার ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

এছাড়া ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীতে কোস্টগার্ডের ০৬ জাহাজ ও বোটসমূহ উদ্ধার কাজে নিয়োজিত আছে। লোকজনকে সাইক্লোন সেন্টারের আনা এবং তাদেরকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে সচেতন করা হয়েছিল।

তথ্য মতে, কোস্ট গার্ড দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় উপলক্ষে বিভিন্ন মানুষকে সচেতন করা ছাড়াও তাদের স্টেশনে আশ্রয় প্রদান করে তাদের ইফতারের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল।ঘূর্ণিঝড় পরবর্তীতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা তাদেরকে শুকনো খাবার ও বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা প্রদান করে তাছাড়াও কোস্টগার্ড তাদের সদস্যদের মাধ্যমে দুর্যোগকালীন ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করে। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মাঝে কোস্টগার্ডের সকল ধরনের সেবা ও সহযোগিতা প্রতিনিয়ত খোলা ছিল।

উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সহযোগিতার জন্য কোস্টগার্ড ঢাকা চট্টগ্রাম খুলনা বরিশাল বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের হেল্প সেন্টার বা হেল্পলাইন চালু করেছিল যার মাধ্যমে যেকোন ফোনকলে উপকূলীয় মানুষকে সহায়তা প্রদান করা ও তাদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here